১. |
: |
>অনুপ্রেরণার উৎসঃ |
>এটুআই প্রোগ্রামের তত্ত্বাবধানে বিভাগীয কমিশনার রংপুরের আয়োজনে ০৮ হতে ১২ নভেম্বর, ২০১৫ তারিখে ৫ দিন ব্যাপী নাগরিক সেবায় উদ্ভাবন বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্ভাবক জনাব একেএম মশিউর রহমানের নাগরিক সেবা উন্নত করার বিষয়ে ধারনার পরিবর্তন আসে। দ্রুততম সময়ে জবাবদিহিতা মুলক সেবা প্রদান নিশ্চিত করনের বিষয়ে তিনি কাজ করার চিন্তা শুরু করেন। এটুআই এর মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণ গ্রহণের ফলে তার দক্ষতা, চিন্তা করার শক্তি ও মানসিকতার যে পরিবর্তন হয়েছে তার ফসলে এই উদ্ভাবন। |
||
2. |
: |
>সমস্যা সমাধানের কৌশল: |
ক. |
>ই-সেবা bmda.rajshahi.gov.bd নামক একটি ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরী করা হয়েছে। |
|
খ. |
>ই-সেবার আবেদন দাখিলের জন্য কৃষক bmda.rajshahi.gov.bd ওয়েব এপ্লিকেশন অথবা মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে এককালীন রেজিষ্ট্রেশন এর মাধ্যমে আবেদন করেন। |
|
গ. |
>ই-সেবার আবেদনের সাথে সাথে অফিস প্রধান নথির মাধ্যমে অবগত হয়ে সময়সীমা নির্ধারণ করে দায়িত্ব অর্পন করেন। |
|
ঘ. |
>ই-সেবা আবেদনকারীকে কে কখন সেবাটি প্রদান করবেন তা নথির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়ায় তিনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারছেন। |
|
ঙ. |
>ই-সেবা প্রদানকারী ও তদারককারী কর্মকর্তাকেও একই সাথে দায়িত্ব অর্পনের বিষয়টি নথির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়। |
|
চ. |
>ই-সেবা সেচযন্ত্র মেরামতের সময় কোন মালামালের প্রয়োজন হলে সেবা প্রদানকারী অনলাইনে মালামালের চাহিদাপত্র প্রদান করেন। |
|
ছ |
>ই-সেবা অফিস প্রধান চাহিদার যৌক্তিকতা বিবেচনা করে চাহিদা অনুমোদন করেন। সাথে সাথে নথির মাধ্যমে গুদাম রক্ষকের নিকট একটি গোপন নম্বর সম্বলিত মালামাল প্রদানের নির্দেশনা চলে যায় এবং আবেদনকারীর নিকট কি মালামাল কয়টি সরবরাহ করা হলো, তা জানিয়ে নথি প্রদান করা হয়। আবেদনকারী তখন গুদাম রক্ষক কে নথি দেখিয়ে প্রিন্টেড চাহিদাপত্রে স্বাক্ষর করে মালামাল গ্রহণ করেন। |
|
জ. |
>উর্দ্ধতন কর্মকর্তা এপ্লিকেশনে লগইন করলে তার আওতাধীন সকল সেবা প্রদান কার্যক্রম তদারকি করতে পারেন। |
|
ঝ. |
>সেবা প্রদান শেষে সেবা প্রদানকারী তা অনলাইনে এন্ট্রি করেন। |
|
ঞ. |
>প্রতিটি সেবার বিপরীতে সেবাগ্রহীতা মূল্যায়ন করতে পারছেন। অসন্তোষজনক বা নিম্নমানের রেটিং পাওয়া গেলে অফিস প্রধানের নিকট নথি চলে যাচ্ছে। যাতে করে তিনি সেবার মান উন্নয়নে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। |
|
ট. |
>জমির আদ্রর্তা, মাটির ধরন, ফসল রোপণের তারিখ ও সেচ যন্ত্রের ক্ষমতা উল্লেখ করে জমি কি পরিমান সেচ প্রয়োজন তা জানতে পাওয়া যায়। |
|
ঠ. |
>কৃষক সেচযন্ত্র ব্যবহারের জন্য আগাম বুকিং দিতে পারেন। |
|
৩. |
: |
>যে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়ে ছিল: |
ক. |
>কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, নির্বাহী পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী রংপুর রিজিয়নসহ রিজিয়নাধীন অন্যান্য প্রকৌশলীদের সাধে উদ্ভাবন বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। |
|
খ. |
>উপকারভোগী কৃষক ও কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করা হয়। |
|
গ. |
>ই-সেচসেবা নামক একটি ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরী করা হয় এবং উদ্ভাবনটি রংপুর সদর উপজেলায় পাইলটিং করা হয়। |
|
ঘ. |
>কর্তৃপক্ষ হতে ২১,৭০,০০০ টাকা আর্থিক বরাদ্দ প্রাপ্তির পর নতুনভাবে একটি এপ্লিকেশন তৈরী করা হয়। |
|
ঙ. |
>ই-সেবা কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। |
|
চ. |
কৃষক ও গভীর নলকুপের অপারেটরদের এপ্লিকেশনের ব্যবহার কৌশল শেখানো হয় এবং উদ্বুদ্ধ করনের মাধ্যমে এপ্লিকেশন ব্যবহারে উৎসাহিত করা হয়। |
|
৪. |
: |
>বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ যেভাবে মোকাবেলা করা হয়েছিল: |
ক. |
>ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান না থাকায় উদ্ভাবক নিজেই bmda.rajshahi.gov.bd ওয়েব এপ্লিকেশনটি তৈরী করে রংপুর সদর উপজেলায় পাইলটিং করেন। ফলে এপ্লিকেশন তৈরীর জন্য কোন অর্থ ব্যয় হয় নাই। |
|
খ. |
>ই-সেবা পরবর্তীতে এপ্লিকেশনটি আরো উন্নয়নের জন্য সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড হতে ই-সেচসেবা শীর্ষক একটি প্রকল্প পাওয়া যায়। উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে নতুনভাবে একটি ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরী করা হয়। bmda.rajshahi.gov.bd নামক এপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে বর্তমানে রংপুর সদর, বদলগাছী, মহাদেবপুর, তানোর এবং বাগমারা উপজেলায় পাইলটিং কাজ চলমান রয়েছে। |
|
গ. |
>যে সকল কৃষক ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে না তারা পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে অথবা নির্দিষ্ট একটি ফোন নাম্বারে ফোন করে সেবার আবেদন করতে পারে এক্ষেত্রে তার পক্ষে আবেদনটি অনলাইনে দাখিল করা হয়। বিষয়টি আরো সুন্দরভাবে সমাধান করতে চাইলে কৃষি কল সেন্টারের মাধ্যমে আবেদন দাখিলের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। |
|
৫. |
: |
>টেকসইকরণে গৃহীত ব্যবস্থাদির বিবরণ: |
০৬/০৮/20১৭ ইং তারিখে কৃষি মন্ত্রনালয়, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ ও এটুআই এর যৌথ আয়োজনে শোকেসিং এ উদ্ভাবনটি এপ্লিকেশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ১৬৮ জন কৃষক কে ই-সেচসেবা ব্যবহার কৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সীমিত আকারে চলমান রয়েছে। |
||
৬. |
: |
>টেকসইকরণের জন্য ভবিষ্যতে যা করনীয়: |
ক. |
>উদ্ভাবনটি মাঠপর্যায়ে এপ্লিকেশনের জন্য কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধ করণের ব্যবস্থা করা জরুরী। |
|
খ. |
>সেচ সিডিউল নির্ভুলভাবে প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন ফসল নিয়ে গবেষনা করা প্রয়োজন। |
|
গ. |
>বিভিন্ন ফসলের জন্য সেচ সিডিউল মাঠ পর্যায়ে প্রদর্শণী প্লটের মাধ্যমে কার্যকারীতা যাচাই এবং তা ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। |
|
ঘ. |
>কৃষি ও নাগরিক সেবা গ্রহনে কৃষকের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণের জন্য তাদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ভর্তুকীমূল্যে তাদের নিকট স্মার্টফোন ও আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র সরবরাহ করা। |
|
7. |
: |
>পরিবর্তনের শুরুর কথা: |
>রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার অধিকাংশ এলাকা এবং নাটোরসহ বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও পাবনা জেলার কিয়দংশ এলাকা জুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল অবস্থিত। দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায় এ অঞ্চলের চিত্র সম্পূর্ন ভিন্ন। রোদ্রে পোড়া উত্তপ্ত উচু-নিচু বিস্তীর্ণ মাঠ, বাবলা, ক্যাকটাস ও গুল্ম জাতীয় কিছু উদ্ভিদ এবং মাঝে মাঝে তাল গাছের উপস্থিতি ছিল এই এলাকার সাধারণ দৃশ্য। এসব এলাকার জলবায়ু অত্যান্ত রুক্ষ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক কম। বিগত দিনে এখানকার কৃষি কাজ বৃষ্টি নির্ভর ছিল বিধায় বছরে একটি ফসল উৎপন্ন হতো। যথাসময়ে বৃষ্টিপাত না হলে ফসল উৎপাদন ব্যহত হতো। ফলে এসব এলাকার জনসাধারণ অত্যন্ত দরিদ্র ছিল। এমনকি অনেক যোদ্দার ব্যক্তিও ছিল অভাবী। তাই কাজের সন্ধানে এখানকার জনসাধারণ নিয়মিত অন্যত্র গমন করত। মাটির গঠন এবং ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তরের কারণে এসব অঞ্চলে প্রচলিত গভীর নলকূপ দ্বারা সেচ কাজ সম্ভব ছিল না। ১৯৮৫ সনে এ অঞ্চলের তৎকালীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি’র) প্রকৌশলীগণ এক ধরণের গভীর নলকূপ উদ্ভাবন করে। ভূ-গর্ভস্থ পানি দ্বারা সেচের সুযোগ সৃষ্টি করে। এর প্রেক্ষিতে বরেন্দ্র এলাকায় সার্বিক উন্নয়নের জন্য রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ১৫টি উপজেলাকে সম্পৃক্ত করে বিএডিসি’র অধীনে “বরেন্দ্র সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প” (বিআইএডিপি) নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ছিল সেচকাজের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন, সংস্কারের অভাবে পানির ধারণ ক্ষমতা না থাকা পুকুর ও খাল পুন: খনন, বৃক্ষরোপন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সড়ক নির্মাণ। 1990 সালে বরাদ্দকৃত তহবিলের মাত্র 26% ব্যয় দেখিয়ে প্রকল্পটি সমাপ্ত করা হয়। প্রকল্পটির সাফল্যের কারণে প্রকল্পটি সমাপ্ত করার পরেও প্রকল্পটির বাস্তবায়ন পদ্ধতি পূণঃবিবেচনা করে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে সমগ্র বরেন্দ্র এলাকার উন্নয়নের জন্য ১৯৯২ সনের 15ই জানুয়ারি রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার সমগ্র ২৫টি উপজেলাকে অন্তর্ভূক্ত করে বিএডিসি’র কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধিনে “বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ” (বিএমডিএ) নামে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়। 1985 সালের সেই চ্যলেঞ্জ মোকাবেলার পর কতিপয় উদ্যোমী কর্মকর্তা/কর্মচারীর নিরলস পরিশ্রমের ফলে আজ সেই রুক্ষ বরেন্দ্র এলাকা বাংলাদেশের শষ্য ভান্ডার হিসেবে পরিণত হয়েছে। 1992 সালে বিএমডিএ প্রতিষ্ঠার পর রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অভাবনীয় সাফল্যের পর 2003 সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অকেজো/অচালু গভীর নলকুপ চালুকরনের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও দিনাজপুর জেলায় বিএমডিএ’র কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়। 1 বছরের মধ্যে 1217টি পরিত্যাক্ত গভীর নলকুপ চালুর মাধ্যমে কৃষিতে বিপ্লব ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় 2004 সালে ডিসেম্বর মাসে বৃহত্তর রংপুর সহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের 16টি জেলায় বিএমডিএ’র কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়। বর্তমানে বিএমডিএ’র আওতায় 16টি জেলার 122টি উপজেলায় প্রায় 15500+ গভীর নলকুপের মাধ্যমে প্রায় 5 লক্ষাধিক হেক্টর জমি সেচের আওতায় এনে উত্তরবঙ্গকে শস্যভান্ডারে পরিণত করেছে। কর্তৃপক্ষের ধারাবাহিক সাফ্যলের প্রেক্ষিতে এবং বিএমডিএ’র সাংগঠনিক কাঠামো দৃঢ়করণের লক্ষ্যে পরবর্তীতে বর্তমান সরকার 2018 সনে সেপ্টেম্বর মাসে মহান জাতীয় সংসদে “বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) বিল- 2018” আইন গঠন করে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল জেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহনের জন্য সুযোগ করে দেয়। |
||
8. |
: |
>উপকারভোগীর বিবরণ: |
ই-সেচসেবা ব্যবহারের ফলে বর্তমানে প্রায় ১৫০০০ কৃষক পরিবার দ্রুততম সময়ে সেচসুবিধা পাচ্ছেন। বিএমডিএর প্রায় ৪.৫ লক্ষ কৃষক পরিবার পর্যাক্রমে এই সুবিধার আওতায় আসবে। ই-সেচসেবা ব্যবহার করে অদ্যাবধি ৮৩২ টি সেবার মধ্যে ৭৪৪ টি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পাদন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা প্রদানের শতকরা হার ৮৯%। সেচ সিডিউল ও আধুনিক সেচ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জেনে সারা দেশের কৃষক উপকৃত হবে। |
||
9. |
: |
>সুদূরপ্রসারী যে অবদান রাখবে: |
দ্রুততম সময়ে সেচযন্ত্র মেরামত করা হলে কৃষকের সেচ খরচ হ্রাস পাবে। বিএমডিএ’র সকল অফিসে এই সেবা চালু করা হলে বছরে প্রায় ১ লক্ষ সেবা প্রচলিত পদ্ধতি থেকে প্রায় ৩০ হতে ৪০% কম সময়ে প্রদান করা সম্ভব হবে। সেবা গ্রহণে ৭০ হতে ৭৫% খরচ সাশ্রয় হবে। ফসল উৎপাদান বৃদ্ধি পাবে। সেচ সিডিউলিং এর মাধ্যমে সেচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি জ্বালানী সাশ্রয় হবে। সরকারী সেবা গ্রহণে জনগনের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। |
||
10. |
: |
>পদ্ধতি/ সময়/ ভোগান্তি/ ব্যয়/ সেবার মানে যে পরিবর্তন এসেছে। |
অনলাইনের মাধ্যমে মালামালের চাহিদা প্রদান করার ফলে মালামাল সরবরাহ দ্রুত হচ্ছে। আবেদনকারী তাঁর আবেদনের বিপরীতে কি মালামাল পেলেন তা নথির মাধ্যমে অবহিত হচ্ছেন এবং দূর্ণীতির সুযোগ হ্রাস ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেয়ে সেবা গ্রহীতার মূল্যায়নের মাধ্যমে সেবার মান বৃদ্ধির ক্ষেত্র তৈরীসহ নাগরিক সেবায় জনগনের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। উর্দ্ধতন কর্মকর্তা সরাসরি সেবা কার্যক্রম তদারকি করতে পারছেন। কে কখন সেবাটি প্রদান করবে তা জানতে পেরে কৃষক নিশ্চিন্তে থাকতে পারছে। সেবা প্রদানের উপর ভিত্তি করে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা নিরুপণের ফলে দ্রুত সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের মাঝে পারস্পরিক প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে। |